এবার করোনায় আক্রান্ত হলেন এক টেলিভিশন সাংবাদিক!

বাংলাদেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬১ জনে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) নতুন করে ৫ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা.

বাংলাদেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬১ জনে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) নতুন করে ৫ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা হয়েছে এবং মৃতের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৭ জনে।

এদিকে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন এর একজন সাংবাদিক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। বর্তমানে তিনি রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।

তার করোনা আক্রান্তের কারণে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের ৪৭ জন কর্মীকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে নির্দেশ দিয়েছে চ্যানেল কতৃপক্ষ।

টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী এম শামসুর রহমান শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ফেসবুকে একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি বলেন, অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি আমাদের একজন সহকর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। গত ২৬ মার্চ তার শরীরে উপসর্গ দেখা দেওয়ার পর ওই সাংবাদিক ‘সেলফ আইসোলেশনে’ চলে যান। দুদিন আগে তিনি আইইডিসিআর এর হটলাইনে যোগাযোগ করেন। তারা তার স্যাম্পল নিয়ে যায় এবং তার রেজাল্ট দূর্ভাগ্যজনকভাবে পজিটিভ আসে।

তিনি আরো জানান, তারা বিষয়টি নিয়ে আইইডিসিআরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। আক্রান্ত ওই সাংবাদিকের সংস্পর্শে এসেছিলেন এমন ৪৭ জন সহকর্মীর তালিকা করে তাদের সবাইকে ‘সেলফ আইসোলেশনে’ থাকতে বলা হয়েছে।

২৬ তারিখ থেকে হিসাব করে ৫ দিনের মধ্যে যদি আমাদের কোনো সহকর্মীর মধ্যে লক্ষণ দেখা না যায়, তার মানে আর সংক্রমণ হয়নি।

বিডিনিউজ টোয়েন্টি ফোরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন সাংবাদিক ওই হাসপাতালের একজন চিকিৎসক।

আক্রান্ত ওই সাংবাদিক টেলিফোনে বিডিনিউজ টোয়েন্টি ফোরকে জানান, তার শারীরিক কোনো জটিলতা নেই। মানসিকভাবেও তিনি শক্ত আছেন। ২৬ মার্চ জ্বর আসার পর ১ এপ্রিল আইইডিসিআর তা নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করে। যার ফলাফল আসে বৃহস্পতিবার। কোভিড-১৯ পজিটিভ আসায় সেদিন তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আমার কোনো আত্নীয়স্বজন সম্প্রতি বিদেশ থেকে আসেনি। আক্রান্ত কারো সংস্পর্শেও আসিনি। তবে সংবাদ সংগ্রহের কাজে সম্প্রতি রাজধানীর কয়েকটি হাসপাতলে গিয়েছি। সেখান থেকেই সংক্রমিত হয়েছে কিনা বুঝতে পারছি না।

ওই সাংবাদিক আরো জানান, গত দুই মাস তিনি গ্রামের বাড়িতে যাননি। ঢাকায় একটি বাসায় একা থাকেন। জ্বর আসার পর অফিসে আসেননি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: