ছবি তোলা শেষে ২৬ পরিবারের ত্রান কেড়ে নিলেন চেয়ারম্যান!!

করোনাভাইরাস মোকাবিলা করতে অসহায় ও দুস্থদের জন্য ত্রাণ সহায়তা ঘোষণা করেছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু জেলা কিংবা উপজেলা বেশ.

করোনাভাইরাস মোকাবিলা করতে অসহায় ও দুস্থদের জন্য ত্রাণ সহায়তা ঘোষণা করেছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু জেলা কিংবা উপজেলা বেশ কিছু জায়গায় এই ত্রাণ সহায়তা নিয়ে চলছে নানা অনিয়ম। কিছু ক্ষমতাবান আওয়ামী লীগ নেতাদের কবলেই যাচ্ছে এসব ত্রাণের সামগ্রি। যার ফলে অসহায় মানুষদের নিকট ঠিকভাবে পৌঁছাতে পারছে না এসব ত্রাণের খাদ্য সহায়তা।

এবার আরেকটি চরম অনিয়মের ঘটনা ঘটলো চট্রগ্রামের হাটহাজারীতে। ২৬ টি অসহায় পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা দেওয়ার পর ছবি তোলার পর সেই ত্রাণ কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে চট্রগ্রামের হাটহাজারীর এক ইউনিয়ন পরিষধের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার প্রতিবাদ করতে গেলে চেয়ারম্যান ও তার লোকজনদের হাতে মারধরের শিকার হয়েছে অসহায় পরিবারগুলো।

গতকাল (৬ এপ্রিল,রবিবার) হাটহাজারী উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদে এই ঘটনা ঘটে। মারধরের শিকার অসহায় পরিবারগুলো এ ঘটনার জন্য দায়ী করেছে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আবছারকে। আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা হিসেবেও পরিচিত অভিযুক্ত নুরুল আবছার। শুধু এই অভিযোগ নয় তার বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক অভিযোগ। প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ এবং নানা অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ রয়েছে নুরুল আবছারের বিরুদ্ধে।

এদিকে হাটহাজারী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুহুল আমিন এ ব্যাপারে জানান, মির্জাপুরের চেয়ারম্যান ত্রানের কথা বলে লোকজনকে পরিষদে নিয়ে যান। তাদের ত্রান দেওয়ার পর আবার তা কেড়ে নেন। অসহায় ২৬টি পরিবারের লোকজন উপজেলা পরিষদে এসে কান্নাকাটি করতে থাকেন। পরে সরকারে পক্ষ থেকে তাদের ত্রাণ দেওয়া হয়।

মারধরের শিকার কয়েকজন জানায়, গতকাল (৬ এপ্রিল, রবিবার) সকালে ত্রান দেওয়ার কথা বলে শতাধিক ব্যক্তিকে ইউনিয়ন পরিষদের নিয়ে যান চেয়ারম্যান। এ সময় চেয়ারম্যান নুরুল আবছার ও লোকজন ত্রাণ দেওয়ার কথা বলে ছবি তোলেন। ছবি তোলার পর চেয়ারম্যানের ছোট ভাই মিজানুর রহমান টিপু ও তার লোকজন ত্রাণগুলো কেড়ে নেয়। এর প্রতিবাদ করতে গেলে তারা সবার উপর হামলা করে। পরে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কার্যালয়ে গিয়ে বিক্ষোভ করে। এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ২৬ টি পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা দেয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: