করোনাভাইরাস নিয়ে গবেষণা!! দারুণ সুখববর পেল বাংলাদেশ!

করোনাভাইরাস যার আতঙ্কে গোটা বিশ্ব। ইতিমধ্যে এই ভাইরাসের কারণে বিশ্বব্যাপী মৃতের সংখ্যা ২ লাখ ছাড়িয়েছে। কিছুতেই থামার নাম নিচ্ছে না.

করোনাভাইরাস যার আতঙ্কে গোটা বিশ্ব। ইতিমধ্যে এই ভাইরাসের কারণে বিশ্বব্যাপী মৃতের সংখ্যা ২ লাখ ছাড়িয়েছে। কিছুতেই থামার নাম নিচ্ছে না এই মহামারিটি। তবে এটি নিয়ে গবেষকদের গবেষণা চলছে বিস্তর। দিন-রাত গবেষণা চালানো হচ্ছে এই ভাইরাস নিয়ে।

এর মধ্যেই নতুন গবেষণা। যা কিছুটা হলেও স্বস্তির খবর বয়ে এনেছে বাংলাদেশের জন্য।

নতুন গবেষণার ফল, দেখা গেছে করোনাভাইরাস রক্তের হিমোগ্লোবিনের সাথে আটকে থাকে,যার কারণে হিমোগ্লোবিনে অক্সিজেন পৌঁছানোর ক্ষেত্রে ব্যাঘাত ঘটে। ফলে শ্বাসকষ্ট দেখা দেয় এবং মৃত্যু ঘটে অনেক মানুষের।

এই সমীকরণের উপর বিজ্ঞানীদের গবেষণায় বলছে, যেসব অঞ্চলে থ্যালাসেমিয়া রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি সেসব এলাকায় অনেক মানুষ করোনার সংক্রমণ থেকে বেঁচে যাবে।

উল্লেখ্য, থ্যালাসেমিয়া রোগী সবচেয়ে বেশি দেখা যায় দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া ও চীনে। এর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম।

থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত রোগীরা কীভাবে বাঁচবে এই ভাইরাস থেকে। তার যথাযথ ব্যাখ্যাও দিয়েছেন চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা। থ্যালাসেমিয়া এক ধরনের রক্তের সমস্যা। থ্যালাসেমিয়া রোগীদের হিমোগ্লোবিনের প্রোটিন বার বার পরিবর্তিত হয়, যার কারণে করোনাভাইরাস হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হতে পারে না। এই গবেষণার পেছনের প্রমাণও উপস্থাপন করেছে চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা। দক্ষিণ ইতালির দেশটিতে প্রচুর পরিমাণে থ্যালাসেমিয়া রোগী রয়েছে। দেখা গেছে দেশটিতে করোনার তান্ডব চললেও আক্রান্ত হয়নি ওই শহরের মানুষ।

বিজ্ঞানীদের গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে আরেকটি নতুন তথ্য। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে যারা যত উপরে অবস্থান করবে, তাদের দেহে করোনার সংক্রমণ তত কম হবে। কার‍ণ সেখানে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা অনেক বেশি থাকে।

এই গবেষণার উদাহরণ ধরা যাক নেপালকে। প্রায় ২০০০ মিটার (২ কিলোমিটার) উপরে দেশটির অবস্থান। আর তাইতো সেই দেশে করোনার সংক্রমণ হাতে গুনা কয়েকজনের। গত ২৩ মার্চ প্রথম রোগী শনাক্ত করা হয় সেই দেশে। পেরিয়ে গেছে এক মাসেরও অধিক সময়। আক্রান্তের সংখ্যা সেখানে মাত্র ৪৯ জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১১ জন। এখন পর্যন্ত কারো মৃত্যু ঘটেনি।

বিজ্ঞানীদের গবেষণার শেষ নেই। করোনাভাইরাসও প্রতিনিয়ত বদলাচ্ছে তার রূপ। নতুন রূপে আবার নতুন গবেষণা। তবে নতুন গবেষণায় প্লাজমা থেরাপির দেখাচ্ছে আশার আলো। আক্রান্ত হওয়ার পর কোনো ব্যাক্তির রক্তের থেকে নেওয়া এন্টিবডি (ইমিউনোগ্লোবিন) যদি করোনায় আক্রান্ত অন্য কোনো ব্যক্তির শরীরে প্রয়োগ করা হয় তবে তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন দ্রুত এমনটায় ধারণা করেছে গবেষকরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: