সুখবর!! পরীক্ষামূলক ঔষুধে সুস্থ হয়ে উঠছে করোনা আক্রান্ত রোগীরা!

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দিন দিন বেড়েই চলেছে। আক্রান্তের সংখ্যার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। এখন পর্যন্ত নির্দিষ্ট কোনো ভ্যাকসিন কিংবা.

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দিন দিন বেড়েই চলেছে। আক্রান্তের সংখ্যার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। এখন পর্যন্ত নির্দিষ্ট কোনো ভ্যাকসিন কিংবা ঔষুধ আবিস্কার হয়নি এই ভাইরাসের।

তবে এর মাঝেও স্বস্তির আলো দেখাচ্ছে রেমডিসিভির নামক ঔষুধটি। যেসব করোনা আক্রান্ত রোগীকে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য রেমডিসিভির ঔষুধ দেওয়া হয়েছিল, তারা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠেছে বলে জানা গেছে। অনেকে বৃহস্পতিবার সুস্থ হয়ে বাড়িও ফিরে গেছে বলে জানিয়েছে দ্য স্টেট নিউজ।

পরীক্ষামূলক ঔষুধ প্রয়োগের নেতৃত্বদানকারী এক চিকিৎসকের সূত্র দিয়ে দ্য স্টেট নিউজ জানিয়েছে, করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে খুব জোরালো শ্বাসপ্রশ্বাস সমস্যা ও জ্বর নিয়ে যেসব রোগী ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে অংশ নিয়েছে তারা এক সপ্তাহের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। তারা এক সপ্তাহের কম সময় হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন।

এসব তথ্য এক ভিডিওর মাধ্যমে প্রকাশ করেছে দ্য স্টেট নিউজ। ওই ভিডিওতে জানানো হয়, ড. ক্যাথলিন মুল্ল্যানি নামের শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ওই ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

এ বিষয়ে ড. ক্যাথলিনের মন্তব্য, সবচেয়ে ভালো খবর আমাদের বেশির ভাগ রোগী সুস্থ হওয়ায় হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। তবে আমরা কেবল দুইজনকে রোগীকে হারিয়েছি।

তবে এ সম্পর্কে সিএনএনকে কোনো মন্তব্য দিতে চাননি ড. ক্যাথলিন। তবে বিশ্ববিদ্যালয় বলেছে, বিচারের জন্য আনুষ্ঠানিক ফলাফল প্রস্তুত হওয়ার পর মন্তব্য করবে তারা। ভয়ংকর নিউমোনিয়া ও শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যার জন্য কোনো থেরাপির অনুমোদন দেওয়া হয়নি। তবে প্রাতিষ্ঠানিক পরীক্ষা চালানোর জন্য কয়েকটি ঔষুধ অনুমোদন দেওয়া হয়েছিলো যার মধ্যে অন্যতম রেমডিসিভির।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, রেমডিসিভির ঔষুধটি করোনা চিকিৎসায় বেশ সম্ভাবনা জাগিয়েছে।

স্টেট নিউজ আরো জানিয়েছে ড. ক্যাথলিন তার পরীক্ষা নিয়ে সহকর্মীদের সাথে আলোচনা করার জন্য গত সপ্তাহে একটি ভিডিও নিয়েছিলেন। সেখানে তিনি বলেছিলেন, আমাদের বেশিরভাগ রোগী গুরুতর এবং তাদের বেশিরভাগ ছয়দিনের মধ্যে চলে যাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: