সুখবর!! বাংলাদেশেই তৈরি হচ্ছে করোনার ঔষুধ!!

সারা বিশ্ব অচল করোনাভাইরাসের তান্ডবে। সারা বিশ্বের হু হু করে বেড়েই চলেছে করোনার প্রকোপ। তার সাথে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। বাংলাদেশেও.

সারা বিশ্ব অচল করোনাভাইরাসের তান্ডবে। সারা বিশ্বের হু হু করে বেড়েই চলেছে করোনার প্রকোপ। তার সাথে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। বাংলাদেশেও ইতিমধ্যে করোনার সংক্রমণ ভয়ংকর আকার ধারণ করেছে। এ পর্যন্ত ১২৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং মৃত্যু ঘটেছে ১২ জনের।

করোনার ভয়াবহ তান্ডব চললেও এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসের কোনো ভ্যাকসিন কিংবা ঔষুধ আবিস্কার হয়নি। কিছু কিছু দেশ এই মরণঘাতী ভাইরাসের ভ্যাকসিনের প্রাথমিক ট্রায়াল শেষ করেছে। যার ফল বেশ ভালোই পেয়েছে তারা। কিন্তু সেই ভ্যাকসিন বাজারে আসতে সময় লাগবে প্রায় দেড় বছর। তার আগেই করোনার প্রকোপে ধ্বংসের মুখে বিশ্ব। এমন অবস্থায় কিছুটা স্বস্তির খবর দিলো গবেষকরা৷

ম্যালেরিয়ার ঔষুধের মধ্যেই করোনা ধ্বংসের আশা আলো দেখছেন গবেষকরা। ম্যালেরিয়া প্রতিরোধী হাইড্রোক্সাইক্লোরোকুইন (এইচসিকিউ) ও ক্লোরোকুইন (সিকিউ) ঔষুধে নিরাময় মিলবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

আক্রান্ত দেশ গুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র,চীন,যুক্তরাজ্য,কানাডা,স্পেন ও জর্ডানসহ বেশ কয়েকটি দেশে করোনার চিকিৎসায় ব্যবহার করা হচ্ছে ম্যালেরিয়া প্রতিরোধী হাইড্রোক্সাইক্লোরোকুইন ও ক্লোরোকুইন ঔষুধ।

এই প্রথা মেনেই জাতীয় ঔষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর দেশীয় কোম্পানিগুলোকে হাইড্রোক্সাইক্লোরোকুইন উৎপাদন এবং সংরক্ষণ করার নির্দেশ দিয়েছে।

এ ঔষুধ তৈরি করবে বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি ঔষুধ কোম্পানি। তারা হলো- বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস, ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস, জিসকা ফার্মাসিউটিক্যালস।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে অনুমোদন দেওয়া ঔষুধগুলোর মধ্যে তালিকায় আছে- ফ্যাভিপিরাভির, ওসেল্টামিভির, ইভারমেকটিন ও রেকোনিল প্রভৃতি। এর মধ্যে ফ্যাভিপিরাভির তৈরি করবে বিকন ফার্মা, রেকোনিল, ভিপিরাভির, রিটোনাভির/লোপিনাভির ককটেল তৈরি করছে ইনসেপ্টা ফার্মা, ফ্যাভিপিরাভির তৈরি করবে বিকন ফার্মা। এছাড়াও ফ্যাভিপিরাভির, ওসেল্টামিভির ও ইভারমেকটিন তৈরি করবে এসকেএফ ফার্মা। বেক্সিমকো তৈরি করবে ফ্যাভিপিরাভির।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: