সুখবর!! চলে এলো করোনার ভ্যাকসিন!প্রয়োগ সম্পন্ন!

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। সারা বিশ্বে এই ভাইরাস বিস্তার বাড়িয়েই চলেছে। করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে এ পর্যন্ত ১৫৭ টি দেশে। আন্তর্জাতিক.

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। সারা বিশ্বে এই ভাইরাস বিস্তার বাড়িয়েই চলেছে। করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে এ পর্যন্ত ১৫৭ টি দেশে।

আন্তর্জাতিক জরীপ সংস্থা ওয়ার্ল্ড ওমিটারস ডট ইনফো’র হিসাব মতে, মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৭ হাজার ১৭১ জনের। এ ভাইরাসে সারাবিশ্বে আক্রান্ত হয়েছেন মোট ১ লাখ ৮২ হাজার ৭০০ জন।

এ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব চীন ছাড়াও ইটালি,ইরান,থাইল্যান্ড,স্পেনসহ বেশ কয়েকটি দেশে বেশী দেখা যাচ্ছে। ইটালিতে একদিনে মৃত্যুবরণ করেছে প্রায় ৩০০ এর উপরে।

ইউরোপের দেশগুলো ছাড়িয়ে বাংলাদেশেও ঢুকে পড়েছে করোনার সংক্রমণ। মূলত ইটালি ফেরত বাংলাদেশিদের থেকেই বাংলাদেশে এই ভাইরাস ছড়িয়েছে। এ পর্যন্ত ১০ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা হয়েছে বাংলাদেশে। হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন প্রায় হাজারের উপরে। বাংলাদেশে ইতিমধ্যে সবধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। এছাড়াও সবধরনের খেলা এবং সিনেমা হলও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

করোনাভাইরাসের এখন পর্যন্ত ছিলো না কোনো প্রতিষেধক ভ্যাকসিন। তবে এবার সারা বিশ্বের জন্য সুখবর বয়ে আনলো যুক্তরাষ্ট্র।

পপরীক্ষামূলকভাবে মানবদেহে প্রথম করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন প্রয়োগ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটল শহরের জেনিফার হলারের উপর করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন পরীক্ষামূলকভাবে প্র‍য়োগ করা হয়েছে। স্থানীয় সময় ১৬ মার্চ করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু হয়েছে।

৪৩ বছর বয়সী হলার সিয়াটলের একটি স্টার্টআপের অপারেশন্স ম্যানেজার হিসেবে কাজ করেন।

সিয়াটলের কায়সার পারমানেন্তে ওয়াসিংটন রিসার্চ ইনস্টিটিউট থেকে প্রথম ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে টিকা নেন হলার। হলার জানান, এমন সংকটময় পরিস্থিতিতে কিছু করতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি।

কায়সার পারমানেন্তের পক্ষ থেকে সিয়াটলের প্রথম ৪৫ জন ১৫ থেকে ৫৫ বছর বয়সী স্বাস্থ্যবান সেচ্ছাসেবককে পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হয়।

মর্ডানাস ‘এমারএনএ-১২৭৩’ নামের ভ্যাকসিনটিতে সার্স-সিওভি-২ করোনাভাইরাস থেকে মেসেঞ্জার আরএনএর নিষ্ক্রিয় খন্ড ব্যবহার করা হয়। এ পরীক্ষার প্রথম দফায় এটি নির্ধারণ করা হয় যে এই ভ্যাকসিনটি মানুষের শরীরের জন্য নিরাপদ কি না, তা পরীক্ষা করা৷

গবেষকরা দাবি করছেন, এতে ভাইরাসের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় সংক্রমণের ঝুঁকি নেই। আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে কায়সার পারমানেন্তের গবেষক লিসা জ্যাকসনের নেতৃত্বে একদল গবেষক এ ভ্যাকসিন করোনার বিরুদ্ধে কতটা কার্যকারী, তা পরীক্ষা করে দেখবেন।

দ্রুত কর্মপরিকল্পনার জন্য দ্য ন্যাশনাল ইনিস্টিউট অব হেলথ এর পক্ষ থেকে এ পরীক্ষার অর্থায়ন করা হচ্ছে। এনআইএইচ ও মর্ডানা ইনকর্পোরেশনের যৌগ সহযোগিতায় এই ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: