করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে দেশে হঠাৎ ৩ জনের মৃত্যু!!

বর্তমানের সবচেয়ে বড় আতঙ্কের নাম করোনাভাইরাস। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পুরো বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৫৪ জন করোনা আক্রান্ত রোগী.

বর্তমানের সবচেয়ে বড় আতঙ্কের নাম করোনাভাইরাস। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পুরো বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৫৪ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। এছাড়া করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে মোট ৫। অন্যদিকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন মোট ২৫ জন।

এদিকে করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে দেশের তিনটি ভিন্ন স্থানে তিনজন মৃত্যুবরণ করেছেন।

ফেনীতে জ্বর-শ্বাসকষ্টে এক যূবকের মৃত্যু ঘটেছে। মৃত ওই যুবকের বয়স ছিলো ৩০। আজ বুধবার (১ এপ্রিল) ফেনী সদর উপজেলার পশ্চিম ছনুয়া গ্রামে নিজ বাড়িতে মৃত্যুবরণ করে ওই যুবক। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা সিভিল সার্জন ডাক্তার সাজ্জাদ হোসেন।

সিভিল সার্জন সাজ্জাদ হোসেন জানান, তার লাশ ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। কী কারণে যুবকের মৃত্যু হয়েছে তা জানতে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য আইইডিসিআরকে অবহিত করা হয়েছে।

অন্যদিকে নড়াইলে সর্দি,জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে ২৫ বছর বয়সী এক যুবকের মৃত্যু ঘটেছে। ওই যুবকের নাম শওকত হোসেন।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) তাকে নড়াইল সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে আসা হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় ওই যুবককে। পরে তাকে ওয়ার্ডে নেওয়ার আগেই রাত নয়টার দিকে তার মৃত্যু ঘটে।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তৌহিদুল ইসলাম বলেন,শওকত হোসেনকে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাত পৌনে নয়টার দিকে হাসপাতালে আনা হয়। তার শ্বাসকষ্টের পাশাপাশি বমিও হচ্ছিল।জরুরী বিভাগে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে ভর্তির জন্য ওয়ার্ডে নেওয়া হচ্ছিল। এ সময় মারা যান ওই যুবক।

জানা যায়, রাত ১ টার সময় স্থানীয় সরকারি কবরস্থানে ওই যুবককে তড়িঘড়ি করে দাফন করা হয়।

অন্যদিকে সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) মো.মশিউর রহমান বলেন, করোনায় আক্রান্ত হলে কেউ ১৫ মিনিটে মারা যেতে পারে না। শওকত হোসেন ‘মাইল্ড স্ট্রোকে’ মারা গেছেন বলে তার ধারনা। তবে করোনাভাইরাসের পরীক্ষা করার জন্য যোগাযোগ করতে চাইলেও আইইডিসিআরের পক্ষ থেকে কোনো সন্তোষজনক উত্তর পায়নি বলে জানান তিনি।

এদিকে চট্রগ্রানে আইসোলেশনে থাকা এক ব্যক্তির মৃত্যু ঘটেছে। চট্রগ্রামের সীতাকুণ্ডের বিশেষায়িত হাসপাতাল বাংলাদেশ ইনিস্টিউট অব ট্রপিকাল এন্ড ইনফেকশন ডিজিজ (বিআইটিআইডি) এর আইসোলেশনে ছিলেন ওই ব্যক্তি।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাত ৯ টার দিকে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক মো.আবুল হাসান।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, হাঁপানি ও ডায়বেটিসে আক্রান্ত এক রোগীকে সকালে আমাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। রাত ৯ টার দিকে হঠাৎ তার মৃত্যু হয়। এই রোগী আগে চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও ভর্তি ছিলেন। সেখান থেকে সকালে আমাদের কাছে রেফার করা হয়। নিয়ম অনু্যায়ী তার সব পরীক্ষা করা হয়েছিল এবং ভালোই ছিলেন।

অন্যদিকে বিআইটিআইডির মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক শাকিল আহমেদ বলেন,মৃত রোগীর নমুনা সংগ্রহ করে করোনা পরীক্ষা করা হবে।

সূত্রঃ BD24Report

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: