ম্যাচ ফিক্সিং হয়েছে পাকিস্তান-আফগানিস্তানের ম্যাচে!!!

গতকাল লিডসে আফগানিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামে পাকিস্তান। প্রথমে ব্যাটিং করে পাকিস্তানকে ২২৮ রানের টার্গেট দেয় আফগানিস্তান। তবে স্বল্প রানের টার্গেটেও.

গতকাল লিডসে আফগানিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামে পাকিস্তান। প্রথমে ব্যাটিং করে পাকিস্তানকে ২২৮ রানের টার্গেট দেয় আফগানিস্তান। তবে স্বল্প রানের টার্গেটেও আফগান বোলাররা প্রায় চেপে ধরেছিলো পাকিস্তানকে৷ জয়ের খুব কাছাকাছি গিয়েও জয় পায়নি আফগানিস্তান।

এই ম্যাচ শেষে উঠেছে আরেক বিতর্ক। এই ম্যাচ নিয়েই উঠেছে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ। বিশ্বকাপ থেকে ইতিমধ্যে বাদ পড়েছে আফগানিস্তান। তবে পাকিস্তানের এখনো আশা রয়েছে সেমিফাইনাল খেলার৷ সেমিফাইনালের দৌড়ে টিকে থাকতে হলে আফগানিস্তানের বিপক্ষে জিততেই হবে পাকিস্তানকে। অন্যদিকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়লেও আফগানরাও চেয়েছিলো এই ম্যাচে জয় তুলে নিতে। কারণ বিশ্বকাপে একটি ম্যাচেও জয় তুলে নিতে পারেনি আফগানিস্তান।

পাকিস্তান যখন ব্যাটিং করছিলো তখন দুই দলেরই রিভিউ নষ্ট হয়ে যায়। ফলে আফগানদের নিশ্চিত বেশ কয়েকটি উইকেট দেননি আম্পায়ার। রিপ্লেতে নিশ্চিত যেগুলোকে আউট হিসেবে দেখা যায়। তার পরেও পাকিস্তানের ৭ উইকেটের পতন ঘটেছিলো। তবে সমস্যা এই ব্যাপার গুলো নিয়ে নয়।

সমর্থকদের মনে একটাই প্রশ্ন গুলবাদিন নায়েবের পারফরম্যান্স নিয়ে। আফগানিস্তান যখন জয়ের দিকে তখন তাদের দলের সেরা খেলোয়াড় রশিদ খান এবং মুজিবের ওভার বাকি। কিন্তু এই গুরুত্বপূর্ণ মুহুর্তে তাদের হাতে বল না দিয়ে নিজের হাতে বল তুলে নেন গুলবাদিন নায়েব। গুলবাদিন নায়েবের সেই ৪৬ তম ওভারে পাকিস্তান সংগ্রহ করে ১৮ রান। তবে তার থেকেও বড় সমস্যা শেষ ওভারে যখন তিনি বল করতে আসেন। তার ওভারে রান নিচ্ছিলেন পাকিস্তানের ইমাদ ওয়াসিম। নিশ্চিন্তে রান আউট করা যেতো তাকে। তবে সেই বল যেনো ইচ্ছে করে ধরলেন না গুলবাদিন নায়েব। এছাড়াও শেষ ওভার করানোর জন্য আফগান দলে ছিলো আরো একজন স্পিনার। সামিউল্লাহ শিনওয়ারি ৮ ওভারে বল করে মাত্র ৩২ রান দিয়েছিলেন। তবে তাকে বল না দিয়ে কেনো নিজের হাতে বল তুলে নিলেন নায়েব? এনিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে তুমুল সমালোচনা। উঠেছে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: