মেসির জাদুতে উড়ে গেলো সেল্টা ভিগো।

জাদুকরী পারফরম্যান্সে সবাইকে মুগ্ধ করলেন মেসি। জোড়া গোলে করেছে এবং সতীর্থদের গোলে অবদান রেখেছেন। দলে সেরা খেলোয়ারের নৈপুন্যে বার্সেলোনা পেল.

জাদুকরী পারফরম্যান্সে সবাইকে মুগ্ধ করলেন মেসি। জোড়া গোলে করেছে এবং সতীর্থদের গোলে অবদান রেখেছেন। দলে সেরা খেলোয়ারের নৈপুন্যে বার্সেলোনা পেল বড় জয়।

গতরাতে ক্যাম্প ন্যু তে সেল্টা ভিগোকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে কোপা দেল রের কোয়াটার ফাইনালে উঠেছে গতবারের চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা।

দুই লেগ মিলে ৬-১ অগ্রগামীতায় পরের রাউন্ডে উঠলো তারা। সেল্টার মাঠে প্রথম লেগে এক এক গোলে ড্র করেছিল বার্সা।

প্রথম পর্বে এই সেল্টার মাঠে অনেক সুযোগ নষ্ট করে জয় হাতছাড়া করেছিল কাতালানরা। তবে এবার মেসি – সুয়ারেজ ফেরায় বিধ্বংসী হয়ে উঠেছে দলটি।

গতরাতে বিরতর আগে চারবার সেল্টার জালে বল পাঠিয়েছে মেসি-সুয়ারেজরা। তখনি একরকম জয় নিশ্চিত হয়ে যায় তাদের। এরপর আরো এক গোল করে বার্সা।

গোল উৎসবের শুরুটা করে বার্সেলোনার গোল মেশিন মেসি। ম্যাচের ত্রয়োদশ মিনিটে বাঁ দিক থাকে আলবার বাড়ানো বল জালে পাঠেতে ভুল করেননি আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। গোলরক্ষক ঝপিয়ে বলে হাত লাগালেও বাচাতে পারেনি।

এর দুই মিনিট পর বাঁ দিকে আলবাকে বল বাড়িয়ে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন মেসি। এরপর ফিরতি বল পেয়ে ব্যবধান দিগুণ করেন লিও।

খানিক পরে হ্যাটট্রিক হতে পারতো পাঁচ বারের বর্ষসেরা এই ফুটবলার। কিন্তু প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়ের পায়ে লেগে তা হয়নি।

ম্যাচের ২৮ তম মিনিটে মেসি আলবার জুটিতে গোলের দেখা মিলে। তবে এবার গোলদাতা স্প্যানিশ ডিফেন্ডার।

এর তিন মিনিট পর প্রতিপক্ষের ভুলে গোলের দেখা পাই সুয়ারেজ।

জয় মোটামুটি নিশ্চিত হয়ে যাওয়ার ম্যাচের ৬৩ মিনিটে মেসিকে তুলে নেন কোচ ভালভার্দে। মেসির পরিবর্তে ওসমান দেম্বেলেকে মাঠে নামান কোচ।

দেম্বেলে নামার পর ম্যাচের ৮৩ মিনিটে দেম্বেলের কর্নার থেকে হেডে গোল করেন ইভান রাকেটিস।

স্পেনের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এই প্রতিযোগিতায় কোয়াটার ফাইনালে উঠেছেন। রিয়েল মাদ্রিদ, আতলেটিকো মাদ্রিদ, ভেলেন্সিয়া, আলাভেস, সেভিয়া, এস্পানিওল, ও লেগানেস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: