মেসিকে লাল কার্ড দেখিয়ে ম্যাচের ‘নায়ক’ রেফারি!!চিলিকে হারিয়ে কোপার তৃতীয়স্থান আর্জেন্টিনার!

মেসিকে দেখানো বিতর্কিত লাল কার্ডে ঘিরেছিলো কোপা আমেরিকার তৃতীয় স্থান দখলের ম্যাচটি। কোপা আমেরিকার তৃতীয় স্থান দখলের ম্যাচে আজ মুখোমুখি.

মেসিকে দেখানো বিতর্কিত লাল কার্ডে ঘিরেছিলো কোপা আমেরিকার তৃতীয় স্থান দখলের ম্যাচটি। কোপা আমেরিকার তৃতীয় স্থান দখলের ম্যাচে আজ মুখোমুখি হয় চিলি এবং আর্জেন্টিনা। যদিও ম্যাচটি ছিলো তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ ছিলো যা ছিলো শুধুমাত্র সান্তনার ম্যাচ তবুও সেই ম্যাচের শুরু থেকেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

ম্যাচের ১২ তম মিনিটে ফাউলের শিকার হয় মেসি। রেফারি দিলেন ফ্রি কিক। আগুয়েরোর দিকে বাড়িয়ে মেসি দিলেন একটি থ্রু পাস। আগুয়েরো বুঝতে পেরেছিলেন মেসির প্ল্যান। তাই গোল করতেও আর দেরি করেননি। ফলে প্রথমার্ধের ১২তম মিনিটেই ১-০ গোলে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। এর ঠিক ১০ মিনিট পরেই দিবালার হানা চিলির জালে। লো চেলসোর দেওয়া পাসে চিলির ডি বক্সে ডুকে পড়েন দিবালা। চিলির ডিফেন্ডার গঞ্জালো জারা কিছু বুঝে উঠার আগেই গোল করে দেন এই জুভেন্টাস ফরোয়ার্ড। দিবালার গোলের মাধ্যমে প্রথমার্ধে ২-০ তে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। তবে ম্যাচের আসল নাটকীয় মূহুর্তে শুরু হয় প্রথমার্ধের ৩৭ মিনিটে।

মেসি এবং চিলি অধিনায়ক গ্যারি মেডেল দুইজনই দৌড়াচ্ছিলেন বলের পিছনে। বাইলাইন অতিক্রম করে বলটি। রেফারিও চিলিকে গোলকিক দিয়েছে। কিন্তু পেছন ঘুরে মেডেল তেড়ে গেলেন মেসির দিকে। মেসি প্রথমে প্রথমে মুখ সরিয়ে গা বাঁচালেন। পরের দফায় নিজেও একটু জড়িয়ে পড়লেন। রেফারি দৌড়ে এসে প্রথমে চিলির অধিনায়ক মেডেলকে সরাসরি লাল কার্ড দেখালেন। একটু পরে মেসিকেও দেখিয়ে দিলেন লাল কার্ড। কোপা আমেরিকার তৃতীয়স্থান নির্ধারণী ম্যাচের উত্তেজনা উস্কে দিয়েছিলো সেই মুহুর্তে। ম্যাচে দুই লাল কার্ড বাদে গুনে গুনে সাতটি হলুদ কার্ড দেখিয়েছেন রেফারি। ম্যাচে মোট ফাউল হয়েছে ৩৭ টি। ২০০৫ সালে আর্জেন্টিনার হয়ে অভিষেকে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন লিও মেসি। ১৪ বছর দেখলেন দ্বিতীয় লাল কার্ডটি।

দ্বিতীয়ার্ধের পেনাল্টি থেকে গোল করে এক গোল শোধ করে চিলি কিন্তু তাতে কোনো লাভ হয়নি। ২-১ এগিয়ে কোপা আমেরিকার তৃতীয় হয়েছে আর্জেন্টিনা। তবে আর্জেন্টিনা জিতলেও এই ম্যাচের নায়ক নিসঃন্দেহে প্যারাগুয়ান রেফারি মারিও ডিয়াজ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: