ত্রিদেশীয় সিরিজে জয় দিয়ে শুভ সূচনা করলো টাইগাররা!

ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামে বাংলাদেশ দল। টসে জিতে বাংলাদেশকে বোলিংয়ে পাঠায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা অত্যন্ত.

ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামে বাংলাদেশ দল। টসে জিতে বাংলাদেশকে বোলিংয়ে পাঠায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা অত্যন্ত ভালো করে উইন্ডিজ। সাই হোপ এবং সুনিল এ্যামব্রিস ওপেনিংয়ে নেমে বিপদ হয়ে দাঁড়ায় বাংলাদেশের জন্য। ১৬ তম ওভারের ২ বলের সময় মেহেদী মিরাজের বলে সুনিল এ্যামব্রিস আউট হয়ে যায়। অত্যন্ত দূর্দান্তভাবে এ্যামব্রিসের ক্যাচটি তুলে নেয় মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। এরপরে বোলিংয়ে আনা হয় সাকিব আল হাসানকে। বোলিংয়ে এসেই ড্যারেন ব্রাভোর উইকেট তুলে নেয় সাকিব। পর পর দুই উইকেট হারিয়ে উন্ডিজ বিপাকে পড়ে। তখন উন্ডিজের দলীয় রান ১৭ ওভারে ৯০ রান।

এরপর উন্ডিজের ব্যাটিংয়ে আসে রস্টোন চেস। সাই হোপের সাথে জূটি বেধে ধিরে সুস্থে খেলতে থাকে চেস। বাংলাদেশের জন্য কিছুটা অসুবিধার সৃষ্টি করে চেস ও হোপ। এদিকে হোপ তুলে নেয় তার ব্যাক টু ব্যাক শতক। উন্ডিজের দলীয় ২০৫ রানের সময় হাফ সেঞ্চুরি করা চেসকে সাঝ ঘরে ফিরান কাপ্তান মাশরাফি। মাশরাফির বলে মোস্তাফিজের হাতে ক্যাচ তুলে আউট হয় চেস। এরপর দলীয় ২০৭ রানের মাথায় ভয়ংকর সাই হোপকেও সাঝ ঘরে ফিরান মাশরাফি বিন মুর্তজা। অসাধারণ একটি স্পেল দিয়ে হোপকে আউট করেন মাশরাফি। উইন্ডিজের দলীয় ২১১ রানের মাথায় উন্ডিজের ক্যাপ্টেন জেসন হোল্ডারের উইকেটটি তুলে নেন মাশরাফি। এরপর ডোওরিচের উইকেট তুলে নেয় সাফুউদ্দিন। টাইগারদের বোলিং তান্ডবে একের পর এক উইকেট হারিয়ে উন্ডিজের ব্যাটসম্যানরা ফিরে যেতে থাকে প্যাভিলিয়নে।

উন্ডিজ ৯ উইকেট হারিয়ে ২৬২ রানের টার্গেট দেয় বাংলাদেশকে।

বাংলাদেশের কাপ্তান মাশরাফি ১০ ওভার করে গুরুত্বপূর্ণ ৩ টি উকেট তুলে নেন ৪৯ রান দিয়ে। এছাড়া সাফুউদ্দিন এবং মোস্তাফিজ নেন ২ টি করে উইকেট। মিরাজ এবং সাকিব নেন ১ টি করে উইকেট।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা হয় তামিম ইকবাল এবং সৌম্য সরকারকে দিয়ে৷ ধের্য সহকারে খেলা তামিম ইকবালের ভালোই সঙ্গ দিচ্ছিলো বাউন্ডারি নিয়ে খেলা সৌম্য সরকার। আবারো নিজের জায়গাটুকু প্রমাণ করে দিলেন সৌম্য সরকার। শুধু ঘরের মাঠে বা ঘরোয়া লিগে নয় বিদেশের মাটিতেও নিজের সামর্থ্য ভালোভাবে প্রমান করে দিলেন সৌম্য সরকার। করলেন ঝড় ফিফটি। ১০৭.৩৫ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করা সৌম্য খেললেন ৬৮ বলে ৭৩ রানের একটি অসাধারণ ইনিংস। এর পরে সাকিবকে সঙ্গে নিয়ে তামিম পূর্ণ করলেন তার অর্ধ – শতক। ৭ টি চারের মাধ্যমে ৮০ রান করে আউট হয়ে যায় তামিম। সাকিব এবং মুশফিক খেলেন স্বাচ্ছন্দভাবে। সাকিব তুলে নেন অর্ধ- শতক। ৬১ বলে ৬১ রান করে সাকিব আল হাসান। মারেন ২ টি ছক্কা এবং ৩ টি চারের মার। অন্যদিকে মুশফিক ২৫ বলে ৩২ রান করে দলকে এনে দেয় মধুর জয়।

প্রথম ম্যাচে জয় দিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা করলো টাইগাররা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: