জয়ের পরেও সাকিবকে হারিয়ে দিলো ইএসপিএন!! ভোটিংয়ে কারচুপি!

ভারতীয়দের নোংরামির যেনো শেষ নেই। ইএসপিএন ক্রিকইনফো ভোটের মাধ্যমে এ দশকের সেরা মেন্স ক্রিকেটারের এওয়ার্ড দেওয়ার কথা ছিলো। একারণে তারা.

ভারতীয়দের নোংরামির যেনো শেষ নেই। ইএসপিএন ক্রিকইনফো ভোটের মাধ্যমে এ দশকের সেরা মেন্স ক্রিকেটারের এওয়ার্ড দেওয়ার কথা ছিলো। একারণে তারা প্রাথমিকভাবে একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। যেখানে ছিলেন সাকিব আল হাসানও। প্রথম রাউন্ডে সাকিবের প্রতিপক্ষ ছিলো রোহিত শর্মা। রোহিত শর্মাকে বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে মহেন্দ্র সিং ধোনির মুখোমুখি হয়েছে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। আর তখনই সবচেয়ে বড় নোংরামিটি করে ইএসপিএন।

ভোটের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয় ৩ জানুয়ারি সকাল ৭ টা পর্যন্ত। স্ট্যান্ডার্ড সময় সকাল ৭ টা বলতে বাংলাদেশ সময় দুপুর ১ টা বোঝায়। আর এই সময়সীমা জেনেই বাংলাদেশি সমর্থকেরা ভোট দিতে থাকেন সাকিব আল হাসানকে।

৩ তারিখ দুপুর ১ টা পর্যন্ত সাকিব এবং ধোনির ভোট দাঁড়ায় ৫০-৫০ এ। যেখানে ধোনির থেকে অল্প ব্যবধানে এগিয়ে থাকেন সাকিব। ৩ তারিখ দুপুর ১ টার সেই সময় সাকিব আল হাসান ৫০.৭ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়যুক্ত হন। কিন্তু ঐদিন আর ফলাফল প্রকাশ করেনি ইএসপিএন। বরং ৩ তারিখের পরেও ভোটিং চালু রাখে তারা। বাংলাদেশিরা সময়সীমার পরে ভোট না দিলেও ভারতীয়রা সময়সীমার পরেও ভোট দিতে থাকে। আর আজ ৪ তারিখ মহেন্দ্র সিং ধোনিকে বিজয়ী ঘোষণা করে ফলাফল প্রকাশ করে ইএসপিএন৷ এতো বড় নোংরামির পর যখন তারা তাদের ফলাফল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে তখন তারা সবার ক্ষেত্রে কত শতাংশ ভোট পেয়েছে তা উল্লেখ করলেও সাকিব এবং ধোনির ক্ষেত্রে তা উল্লেখ করেনি। কারণ নিজেদের কারচুপির কথা নিজেরাও জানে৷ এমনকি নির্লজ্জের মতো লিখে তবে কি ফাইনাল কন্টেষ্টটা শুধু ভারতীদের মধ্যে হতে যাচ্ছে? যেনো তারা আগে থেকেই জানে ভারতীয়দের তারা ফাইনালে নিয়ে যাবে। সামান্য ভোটাভুটি নিয়ে তারা আজ যা করলো তা তাদের নিকৃষ্ট মনোভাবেরই বহিঃপ্রকাশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: